হতে প্রায়
কিলোমিটার দূরে অবস্থিত
উপজেলা।
উত্তরে
দক্ষিণে
পূর্বে
এবং পশ্চিমে
পরিবেষ্টিত
উপজেলার কার্যক্রম শুরু হয়
সালে।
এই উপজেলার আয়তন প্রায়
বর্গকিলোমিটার।
২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায় এই উপজেলার মোট জনসংখ্যা:
জন (প্রায়) যার মধ্যে
জন পুরুষ এবং
জন মহিলা
উপজেলা প্রশাসনের অধীনে
টি গ্রাম এবং
টি ইউনিয়ন বিদ্যমান।
ইউনিয়ন সমূহ হলো:
১.
২.
৩.
৪.
৫.
৬.
৭.
উপজেলার বুক জুড়ে এঁকেবেঁকে বয়ে গেছে
নদী সমূহ।
উল্লেখযোগ্য স্থাপনা এবং বিখ্যাত স্থানসমূহ হলো:
১.
২.
৩.
৪.
৫.
৬.
ইত্যাদি।
ইতিহাস
নামকরন লোকশ্রুতি আছে যে, সুদূর অতীতকালে পায়রা নদীর তীরে বহু আম গাছ ছিল। মাঝিরা তাদের নৌকা বাঁধত সেই আম গাছের সাথে। নৌকা বাঁধার স্থানটি কালে কালে হয়ে যায় আমতলা থেকে আমতলী। অন্যদিকে, পায়রা নদীর একটি প্রবাহ আমতলী বন্দরের পূর্ব দিক দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে আমতলী নদী প্রবাহিত হয়েছিল। নৌযান চলাচল মুখরিত আমতলী নদীর তীরে পাঠান আমলে গড়ে ওঠেছিল জনবসতি ও বাণিজ্যিকেন্দ্র। মোগল যুগে পায়রা নদীতে মগ, পর্তুগীজদের লুণ্ঠন ও অত্যাচার বেড়ে গেলে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ আমতলী নদীই ছিল একমাত্র ভরসা। এ নদীর নাম অনুসারে এলাকার নাম হতে পারে আমতলী। আবার, অতীতে আমতলী যখন অরণ্য আচ্ছাদিত হয়ে দুর্গম এলাকা হিসেবে ছিল তখন আরকান থেকে আগত জনৈক আমপাটি নামক মগ দলপতি ইংরেজি সরকার থেকে ইজরা নিয়ে আমতলী প্রথম আবাদ শুরু করে ছিলেন। সম্ভবতঃ আমপারিট মগের নাম অনুসারেও এলকায় নাম আমতলী হতে পারে।
আয়তন: ৭২০.৭৬ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২১°৫১´ থেকে ২২°১৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°০০´ থেকে ৯০°২৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে পটুয়াখালী সদর, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে গলাচিপা উপজেলা ও কলাপাড়া উপজেলা, পশ্চিমে বরগুনা সদর উপজেলা ও মির্জাগঞ্জ উপজেলা।।
আমতলী বরগুনা জেলার অর্ন্তগত একটি উপজেলা। এ উপজেলার উত্তরে পটুয়াখালী সদর উপজেলা, দক্ষিণ পশ্চিমে তালতলী উপজেলা ও বঙ্গোপসাগর, পূর্বে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলাও কলাপাড়া উপজেলা এবং পশ্চিমে বুড়ীশ্বর বা পায়রা নদী।
0 Comments