Header Ads Widget

header ads

জুরাছড়ি (Juraichari)

  



 হতে প্রায় 

 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত 

 উপজেলা।

উত্তরে 

,দক্ষিণে 

,পূর্বে 

এবং পশ্চিমে 

পরিবেষ্টিত  

 উপজেলার কার্যক্রম শুরু হয় 

 সালে।





এই উপজেলার আয়তন প্রায় 

 বর্গকিলোমিটার। 

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী এই উপজেলার মোট জনসংখ্যা: 

 জন (প্রায়) যার মধ্যে 

 জন পুরুষ এবং 

 জন মহিলা

উপজেলা প্রশাসনের অধীনে 

 টি গ্রাম এবং 

 টি ইউনিয়ন বিদ্যমান।

ইউনিয়ন সমূহ হলো: 

১. 

২. 

৩. 

৪. 

৫. 

৬.

৭.

উপজেলার বুক জুড়ে এঁকেবেঁকে বয়ে গেছে 

 নদী সমূহ।

উল্লেখযোগ্য স্থাপনা এবং বিখ্যাত স্থানসমূহ হলো:

১. 

২. 

৩. 

৪. 

৫. 

৬. 

ইত্যাদি।



বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত প্রত্যন্ত দুর্গম একটি উপজেলা জুরাছড়ি। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার নিভৃত এ জনপদটিতে রয়েছে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান। প্রকৃতির নির্মলতা আর বিশুদ্ধতা যেন সবখানে বিরাজমান। জনসংখ্যার দিক থেকে একটি ক্ষুদ্রতর একটি উপজেলা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অপরূপ এ উপজেলাটি সহজেই পর্যটকদের মন কেড়ে নেয়।


এ উপজেলাটি পূর্বে বরকল উপজেলার একটি ইউনিয়ন ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮০খ্রিঃ সালে ১৮ নভেম্বর জুরাছড়িকে মানউন্নীত থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।পরবর্তীতে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে ১৯৮৩ সালের ২৫ জুলাই উপজেলাই উন্নীত হয়।


চাকমা শব্দ ‘জুরা’ অর্থ ঠান্ডা বা শীতল এবং ‘ছড়ি’ অর্থ পানির ঝর্ণা বা ঝিরি। ঠান্ডা পানির ঝর্ণা বা ঝিরি প্রবাহিত হওয়ার স্থানটির নাম হয়েছে ‍‍"জুরাছড়ি”


অবস্থানঃ২২.২৭0-২২.৪৪0উত্তরঅক্ষাংশ, ৯২.১৯0-৯২.৩৩0পূর্বদ্রাঘিমাংশ।


সীমানাঃ উত্তরে- বরকল উপজেলা, দক্ষিণে- বিলাইছড়ি উপজেলা, পূর্বে- ভারতের মিজোরাম এবং পশ্চিমে- রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা।


জেলা সদর থেকে দূরত্ব- ৫৭ কিঃ মিঃ

Post a Comment

0 Comments