রায়পুরা উপজেলার পটভূমি
রায়পুরা উপজেলার পটভূমি
রায়পুরা অঞ্চলটি প্রাচীনকাল থেকেই হিন্দু বসতিপূর্ণ এলাকা হিসাবে খ্যাত। ‘রায়পুরা’ শব্দটির ঐতিহাসিক ভিত্তি বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায় যে, পূর্বেকার ‘রায়’ বংশীয় জমিদারদের জমিদারী এলাকাভু্ক্ত অঞ্চল হিসেবে প্রাধান্য লাভ করে। আর সেই থেকে ‘রায়পুরা’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে জনশ্রুতিতে ধারণা করা হয়। রায়পুরা একটি নৈস্বর্গিক ভূ-খন্ড। মেঘনা আর তার শাখা-প্রশাখার জলবিধৌত অন্যতম স্থলভাগ। এরমধ্য দিয়ে চলে গেছে ঢাকা চট্টগ্রাম রেলপথ। এটি একটি বৃহৎ পরিসর থানা। এর ভিতর রয়েছে ছয়টি রেলপথ। বাংলাদেশের তিনটি প্রধান নদী মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র ও আড়িয়াল খাঁ এর চুতুর্দিক দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ইংরেজ শাসন থেকেই এ থানাটি বিশাল জনগোষ্ঠি নিয়ে গঠিত। অনুমান করা হয় নীল কর আদায়ের লক্ষ্যে ইংরেজ শাসকরা এ থানার গোড়া পত্তন করেছিল। তাদের প্রতিষ্ঠিত নীলকুঠি আজো ইংরেজ শাসনের স্বাক্ষর বহন করে এ এলাকায়। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে প্রতিষ্ঠিত এ থানার সাথে জড়িয়ে আছে তৎকালীন হিন্দু জমিদারদের প্রভাব ও ঐতিহ্যের ইতিহাস।
রায়পুরা এর ভৌগলিক পরিচিতি
মেঘনা, পুরাতনব্রহ্মপুত্র, আড়িয়ালখাঁ ও কাঁকন নদীবিধৌত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা রায়পুরা নরসিংদী জেলার
দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত| এই উপজেলার উত্তরে বেলাব উপজেলা, পূর্ব কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা, দক্ষিণে ব্রাহ্মণ-বাড়িয়া জেলার নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর এবং নরসিংদী সদর উপজেলা, পশ্চিমে নরসিংদী সদর ও শিবপুর উপজেলা অবস্থিত ৷এই উপজেলা প্রায় ২৩ o ৫২ ও ২৪o ০৪ উত্তর-অক্ষাংশ এবং৯০o ৫৯ পূর্ব`দ্রঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত ৷রাজধানী ঢাকা ও নরসিংদী জেলা সদর থেকে রায়পুরা উপজেলা সদরের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৯কিঃমিঃ এবং ৩২কিঃমিঃ৷ এর মোট আয়তন ৩১২.৭৭বর্গ কিলোমিটার৷ তন্মধ্যে জলাশয় ও প্রশস্তনদী ৪৩.৭৭বর্গ কিলোমিটার
0 Comments