হতে প্রায়
কিলোমিটার দূরে অবস্থিত
উপজেলা।
উত্তরে
দক্ষিণে
পূর্বে
এবং পশ্চিমে
পরিবেষ্টিত
উপজেলার কার্যক্রম শুরু হয়
সালে।
এই উপজেলার আয়তন প্রায়
বর্গকিলোমিটার।
২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায় এই উপজেলার মোট জনসংখ্যা:
জন (প্রায়) যার মধ্যে
জন পুরুষ এবং
জন মহিলা
উপজেলা প্রশাসনের অধীনে
টি গ্রাম এবং
টি ইউনিয়ন বিদ্যমান।
ইউনিয়ন সমূহ হলো:
১.
২.
৩.
৪.
৫.
৬.
৭.
উপজেলার বুক জুড়ে এঁকেবেঁকে বয়ে গেছে
নদী সমূহ।
উল্লেখযোগ্য স্থাপনা এবং বিখ্যাত স্থানসমূহ হলো:
১.
২.
৩.
৪.
৫.
৬.
ইত্যাদি।
উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি
১৮৫৯ সালের ২৪ অক্টোবর পিরোজপুর মহকুমা গঠিত হয়। রোহিনী কুমার সেন এর লেখা বাকলা এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এর লেখা বরিশালের বিবরণ থেকে জানা যায় ১৯১৫ সালে পাথরঘাটা পিরোজপুর মহকুমার একটি থানা ছিল। পিরোজপুর মহকুমায় তখন ১০টি থানার নাম পাওয়া যায়।থানাগুলোর নাম হলো (১) পিরোজপুর, (২) কাউখালী, (৩) নাজিরপুর, (৪) স্বরূপকাঠী, (৫) বানারিপাড়া, (৬) পাথরঘাটা, (৭) মঠবাড়িয়া, (৮) বামনা, (৯) ভান্ডারিয়া, (১০) কাঠালিয়া। তখন পিরোজপুর মহকুমা বরিশাল জেলার আওতায় ছিল। পটুয়াখালী একটি মহকুমা সৃষ্টি হয় ১৮৭১ সালে। ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি পটুয়াখালী জেলা গঠিত হয়। এ সময় পিরোজপুর মহকুমার পাথরঘাটা ও বামনা থানা পটুয়াখালী জেলাভূক্ত হয়। বরগুনা মহকুমা পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত ছিল। বর্তমানে পাথরঘাটা বরগুনা জেলার একটি উপজেলা। ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বরগুনা মহকুমা জেলায় উন্নীত হয়। ১৯৮৩ সালের পূর্ব পর্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই পাথরঘাটা পটুয়াখালী জেলা ও বরগুনা মহকুমার অন্তর্গত ছিল। দেশে উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর পাথরঘাটা উপজেলায় উন্নীত হয় ১৯৮৩ সালের ২৪ মার্চ তারিখে।
ভৌগলিক পরিচিতি
ভৌগলিক পরিচিতিঃ
পাথরঘাটা উপজেলা বাংলাদেশের উপকূলবর্তী বরগুনা জেলার অন্তর্গত। যার দক্ষিণে বিস্তৃত রয়েছে বঙ্গোপসাগরের সুবিস্তৃত জলরাশি।
এ উপজেলার অধিবাসীদের প্রধান পেশা মৎস্য আহরণ। এখানে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের মস্য অবতরণ ও পাইকারী বাজার রয়েছে।
আয়তনঃ পাথরঘাটা উপজেলার আয়তন ৩৮৭.৩৬ বর্গ কিলোমিটার। উপজেলাটি ০১ (এক) টি পুলিশ ষ্টেশন (পাথরঘাটা থানা) এবং ০২(দুই) টি পুলিশ ফাড়ি (চরদুয়ানী ও কাকচিড়া) সমন্বয় গঠিত। উপজেলাটিতে মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ০৭ (সাত)টি। ওয়ার্ড সংখ্যা ৬৩ টি, গ্রাম ৬৮টি এবং পৌরসভার সংখ্যা ০১(এক) টি।
সীমাঃ
দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পশ্চিম দিকে বলেশ্বও নদী ও সুন্দরবন, পূর্বদিকে বিষখালী নদী ও বরগুনা সদর উপজেলা, উত্তরে বামনা এবং মঠবাড়িয়া উপজেলা। এলাকাটি গাঙ্গেয় প্লাবন ভূমির উপাঞ্চলভুক্ত।
0 Comments